• ঢাকা
  • সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮

অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সন্টুর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি অভিযোগ


FavIcon
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৫, ২০১৯, ০৬:৩৭ পিএম
অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সন্টুর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি অভিযোগ

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সন্টুর অনিয়ম দুর্নীতি ও নারী কেলেংকারীতে জর্জরিত মোতাহার হোসেন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।এই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে রয়েছে পাহাড় সমান দূর্নীতির অভিযোগ।প্রভাবশালী আওয়ামীলীগের এক নেত্রীরছত্রছায়ায় একের পর এক দূর্নীতি করেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন।এই দূর্নীতিবাজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ   আবুল হোসেন সন্টু।কলেজের ব্যয়িত সকল প্রকার খরচ ভাউচারের মধ্যে আর্থিক অসংগতি এবং অতিরিক্ত পরিমাণ টাকার ভাউচার অন্তর্ভুক্তি করনের মাধ্যমে তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।মাত্র চার বছরের ব্যবধানে দূর্নীতির টাকায় সিরাজগঞ্জের নয়ন মোড়,সরদার পাড়া সহ শিয়ালকোল মৌজায় ১০ কাঠা জায়গা সহ বাড়ি করেছেন।তার গ্রামের বাড়ি ভবানীপুরে রয়েছে ১০ বিঘা আবাদি জমি।সব কিছু করেছেন তিনি ম্যানেজিং কমিটি নামের পকেট কমিটির যোগসাজশে।উক্ত কলেজের ছাত্রী মৌসুমী খাতুনের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হলে এলাকাবাসীর চাপের মুখে পরে তাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়।মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে উক্ত কলেজ ছাত্রীকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সন্টু  তালাক প্রদান করে।যা উক্ত কলেজের কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ উক্ত কলেজ অধ্যায়ন রত ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলে বিষয়টির সততা পাওয়া যায়।তিনি কলেজের উন্নয়নের কথা বলে উক্ত কলেজের শিক্ষকদের নিকট হতে ৬০ লাখ নেন।প্রকৃতপক্ষে তিনি কলেজের কোন উন্নয়নই করেননি।এমনকি এই টাকার সঠিক আয় ব্যায়ের হিসাব ও তিনি দেখাতে পারেননি।হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের নীতিমালার বাইরে তিনি টাকার বিনিময়ে এক বছর  মেয়ার্দী(LHMP)কোর্স  পরিচালনা করছেন। যা হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের স্বীকৃতপ্রাপ্ত নয় এবং সরকারি অনুমোদন বিহীন।এবিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সন্টুর মতামত জানার জন্য আলোকিত নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে মুঠোফোনে তার সাথে যোগাযোগ করলে।তিনি পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেন।এমনকি মৌসুমী খাতুন নামের কোন ছাত্রীকেও তিনি চেনেন না বলে জানান। এই অধ্যক্ষের  অনিয়ম দুর্নীতির ডকুমেন্টস আলোকিত নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নিকট সংরক্ষিত রয়েছে। বিস্তারিত আগামীতে......…....।



Side banner