নারায়ণগঞ্জ সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সরকারি টিসিভি প্রোগ্রামের বরাদ্দ সুষ্ঠমত বন্টন না করে, লুটপাটের মাধ্যমে অনিয়ম করেছেন সদর স্বাস্থ্য অফিসের এম টি পিআই নাজিম উদ্দিন। বরাদ্ধকৃত প্রতি ওয়ার্ডের মাইকিং এর জন্য ২১ টি ওয়ার্ডের ২৩১০০ শত টাকা মাইকিং না করে আত্মসাৎ করেছেন। টোটাল ৭টি ইউনিয়নে বুয়া বিল ভাউচার করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাধের অভিযোগ উঠেছে।
স্বাস্থ্য সহকারীদের ওরিয়েন্টেশনের বিল না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেছেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যাগের টাকা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে আলীর টেক ১ নং ওয়ার্ডের তার কাছ থেকে বদলির কথা বলে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য সদর অফিসের এম টি ইপিআই কার্ড বাহিরে বিক্রি, ক্যান্সার টিকা বাহিরে বিক্রির অভিযোগ উঠছে রয়েছে নাজিম উদ্দিমের বিরুদ্ধে। অনিয়ম ও দুর্নীতি করে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় আলিশান ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন প্রমাণ মিলেছে।
সিভিল সার্জন প্রমোশন দেওয়ার পরও পোস্টিং দেওয়া হয়নি এমন অভিযোগও রয়েছে।
এটাস্ট ছিল আব্দুল আজিজকে বক্তাবলি ইউনিয়নে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বদলি করা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।
জেলার প্রতি ওয়ার্ডে সরকারি ২৩০০০ টাকা বরাদ্ধ কথা থাকলে ও ঠিক মত দেওয়া হয় নাই।
স্যনিটেইজেশন বরাদ্দ, পোর্টালম্যান বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠছে।
এনজিওদের টাকার বিনিময়ে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়,পাঠানটুলি এফডব্লিসি টি টিকাদান কেন্দ্রে ৮০টি পেন্টা অর্ডার দেওয়ার পর দিয়েছেন মাত্র ২০টা পেন্টা, স্বাস্থ্য সহকারীদের বিপদে ফেলতে দিয়ে ছিলেন নস্ট ভ্যাকসিন। অসংখ্য অভিযোগ নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে। নাজিম উদ্দিন সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫জনের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলছেন বলেও অভিযোগ উঠছে। অভিযোগের বিষয়ে নাজিম উদ্দিন আলোকিত নিউজকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ করা হয়েছে সব মিথ্যা বানোয়াট, আমি এই অনিয়মের সাথে জড়িত নেই বলে জানান।
এর আগে মুন্সিগঞ্জ অনেক অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের এক নেতার নাম ব্যবহার করে অনিয়ম দুর্নীতির করেছেন বলে সূত্র জানায়, আরো অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :