মতলব দক্ষিণ উপজেলায় নাগদা এলাকায় মতলব-গৌরীপুর সড়কে জৈনপুর পরিবহন যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় গুরুতর আহত গৃহবধূ ইয়াছমিন আক্তার (২৪) মারা গেছেন।
গত সোমবার রাত ৮টায় চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
তাঁর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তাঁর স্বামী মো. ইমরান ।
গত ১৯ জানুয়ারী সোমবার দুপুরে ‘জৈনপুর পরিবহন’ নামে একটি ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে গেলে ওই গৃহবধূ ও তাঁর তিন বছরের শিশুসন্তান বায়েজিদসহ আহত হন প্রায় ২০ জন যাত্রী ।
মারা যাওয়া ইয়াছমিন আক্তারের বাড়ি চাঁদপুরের-হাইমচর উপজেলার চান্দ্রাবাজার এলাকায়। ওই এলাকার মো. ইমরানের স্ত্রী তিনি। পরিবার, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক প্রয়োজনে ওই গৃহবধূ তাঁর শিশুসন্তান বায়েজিদকে (৩) সঙ্গে নিয়ে গতকাল সোমবার দুপুরে মতলব দক্ষিণ উপজেলার মুন্সিরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে ‘জৈনপুর পরিবহনে’ ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বাসটি গতকাল দুপুর দুইটায় উপজেলার নাগদা সেতু এলাকায় পৌঁছালে আচমকা চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় সেতু থেকে উল্টে ২০ জন যাত্রীসহ বাসটি পাশের খালে পড়ে যায়। এতে ইয়াছমিন আক্তার ও তাঁর শিশুসন্তান বায়েজিদসহ বাসের ২০ যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে ইয়াছমিন আক্তার ও তাঁর শিশুসন্তান বায়েজিদসহ মতলব দক্ষিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট আটজন যাত্রী ভর্তি হন। ইয়াছমিন আক্তারের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ রক্তাক্ত জখম হয়। অবস্থার অবনতি হলে গতকাল সোমবার দুপুরের পর ইয়াছমিন আক্তারকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনেরা। সেখান থেকে বাড়ি নেওয়ার পথে গতকাল রাত আটটায় মারা যান তিনি। ইয়াছমিন আক্তারের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তার পরিবার ।
আপনার মতামত লিখুন :