শরীয়তপুরের সখিপুরে দুধ বিক্রি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সখিপুর থানার চরভাগা ইউনিয়নের পেদা বাড়ির বৃদ্ধ নারীসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে সন্ত্রাসী কায়দায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে ভুক্তভোগী পরিবার থেকে।
আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ৮ টার সময় শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার চরভাগা ইউনিয়নের পেদা কান্দি গ্রামের প্যাদা বাড়িতে এমন ঘটনা ঘটেছে।
আহত প্রবাসী এস্কান্দার পেদা গণমাধ্যমকে বলেন,
দীর্ঘদিন যাবত আমার চাচা প্রতিবেশী আমজাদ পেদা পরিবারের সাথে আমাদের জায়গা জমি নিয়ে মামলা মোকদ্দমা চলছে। মামলা মোকদ্দমার টাকা পয়সা সম্পূর্ণ খরচ বহন করি আমি দুবাই প্রবাসী এস্কান্দার পেদা। এটা তারা মেনে নিতে পারছে না। আমজাদ পরিবারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাকে হত্যা করা, আমাকে মেরে ফেলা। আমি দেশে আসছি কয়েক মাস হল।আজ সকালে আমার বাবা মোতালেব পেদা এবং আমার আপন চাচা মোশারফ পেদা আমাদের বাড়ির ঘাটায় দুধ বিক্রি নিয়ে প্রতিবেশী আমজাদ পেদার সাথে
কথা কাটাকাটি হয়।বাক বিতন্ডার একপর্যায়ে আমজাদ পেদা সহ মনির পেদা , সোহাগ প্যাদা, বাবু পেদা, সুমন পেদা,নুর জামান পেদা দেশীয় ধারালো অস্ত্র লাঠি সোটা নিয়ে আমার বাপ চাচারে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথারি ভাবে মারতে থাকে।আমার বাপ চাচার ডাক চিৎকার শুনে ঘটনা স্থলে গেলে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় ধারালো ছেন্দা দিয়ে কোপ মারে। আমি তখন বাঁচার জন্য আত্মচিৎকার করলে আমার স্ত্রী এবং আমার বড় ভাবি আমাদেরকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে আসলে সোহাগ পাদা দেশীয় ধারালো ছেন্দা দিয়ে আমার বড় ভাবীর মাথায় জোরে কোপ মেরে রক্তাক্ত রকম করে।তারা পূর্ব শত্রুতার জেরে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ছেনদা লাঠি সোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে কুপিয়ে রক্ত জখম করে ফেলে রেখে যায়। আমাদের ডাক চিৎকারের শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আমাদেরকে উদ্ধার করে আহত রক্তাক্ত জখম অবস্থায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।আহত অবস্থায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল আসার পথে সন্ত্রাসীরা আমাদের গাড়িকে বাধা দিয়েছিল।আমরা এই সন্ত্রাসীদের ভয়ে সখিপুর থানায় গিয়ে মামলা করত ভয় পাচ্ছি। আমার বড় ভাবীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার ঢাকা মেডিকেলের রেফার করেন।
সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে মুঠোফোনে জানান , দুধ বিক্রি নিয়ে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে চরভাগা ইউনিয়নে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।ঘটনাটি শোনার পরে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি।পরিবেশ এখন শান্ত আছে । উভয়পক্ষের কেউই অভিযোগ করতে এখন পর্যন্ত আসেনি।অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।
আপনার মতামত লিখুন :