• ঢাকা
  • রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২

মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী


FavIcon
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

মোংলা বন্দরের বিদ্যমান সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে বন্দরটিকে আরও গতিশীল, উন্নত ও ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে বর্তমান সরকার।

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথমবারের মতো মোংলা সমুদ্রবন্দর পরিদর্শনে এসে নবনিযুক্ত সড়ক পরিবহন, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ কথা জানান।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, ‘মোংলা বন্দরের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বন্দরটিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিতে পরিণত করা হবে। সম্ভাবনাময় এ বন্দরের গতি বাড়িয়ে ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করতে পারলেই বন্দর ব্যবহারে তাদের আগ্রহ বাড়বে। সে জন্য অন্য বন্দরের তুলনায় এখানে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা, অবকাঠামো ও পণ্য পরিবহনে নৌপথ, সড়কপথ ও রেলপথের সংযোগ তৈরি করা হয়েছে।’
 
তিনি আরও বলেন, এসব সুবিধাদি আরেকটু বৃদ্ধি করলে এটি দেশের পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক বন্দরে রূপান্তরিত হবে এবং বিশ্বের কাছে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করবে। ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তারা আরও বেশি এই বন্দর ব্যবহারে আগ্রহী হবেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ে ঢাকা থেকে মোংলা বন্দরের দূরত্ব কম হওয়ায় তৈরি পোশাকসহ (গার্মেন্টস) বিভিন্ন পণ্য এ বন্দর দিয়ে রফতানির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এর ফলে ব্যবসায়ীদের সময় ও খরচ উভয়ই সাশ্রয় হবে।
 
জানা যায়, মন্ত্রীর পরিদর্শনকালে প্রথমে মোংলা বন্দরের সভাকক্ষে বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বৃদ্ধি, চলমান ও নতুন প্রকল্প এবং অবকাঠামোসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 
সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রীর সাথে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌপরিবহন সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহিন রহমান, সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার, বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) কাজী আবেদ হোসেন, মোংলা পোর্ট পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. জুলফিকার আলীসহ বন্দর, সড়ক ও জনপথ এবং রেলপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
এ সময় বন্দরের ট্রাফিক ম্যানেজার মো. মোস্তফা কামাল বন্দরের স্থাপনা উন্নয়ন, জেটি বর্ধিতকরণ, নতুন ইয়ার্ড নির্মাণ এবং গাড়ি পার্কিং এরিয়া সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা উপস্থাপন করেন।


Side banner
Link copied!