ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর -২ নড়িয়া সখিপুর আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি'র মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী শফিকুর রহমান কিরণ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এবং ওই একই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলীয় ঐক্য জোটের মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী ডাক্তার মাহমুদ হোসেন বকাউল দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণার সময় নড়িয়া সখিপুরে বিএনপি'র নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লা সমর্থিত কর্মীদের ওপর হামলা জুলুম অত্যাচার নির্যাতন বাধা বিঘ্ন করেন এমন অভিযোগ করেন জেলা জামায়াতের সংবাদ সম্মেলনে। নড়িয়া সখীপুরে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় বিএনপি নেতা কর্মীদের হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুর জেলা জামাতের কার্যালয়ে জামায়াতের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন করেন।গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জামাত কর্মী মানিক বালার উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতা সন্ত্রাসী আফজাল বালার বিচারের দাবিতে আজ ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১২ টার সময় শরীয়তপুর জেলা জামাত ইসলামীর উদ্যোগে জেলা জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে মানিক বালা সংবাদ সম্মেলন করেন। আহত মানিক বালা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আরশিনগর বাজারে আমার অফিসে বসে অত্র এলাকার অসহায় হতো দরিদ্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কালে বিনপির নেতা আফজাল বালা তার লোকদের দিয়ে আমাকে তার ক্লাবে ডেকে নিয়ে যায়।এলাকায় ইফতার সামগ্রী দেওয়া এবং দাঁড়িপাল্লার নির্বাচন করায় আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তার নোংরা ভাষার জবাব দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকদেরকে নিয়ে আমার উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। আমার উপর অত্যাচারের একপর্যায়ে আমি মাননীয় এমপি মহোদয় কিরণ সাহেবকে মোবাইলে কল দিয়ে বিষয়টি জানালে এমপি মহোদয় আমাকে বলেন বিষয়টি দু-একদিনের ভিতরে দেখবে এবং সমাধান করবে।দুদিন গত হল এমপি মহোদয়ের কোন প্রতিক্রিয়া না পেয়ে আমি বাধ্য হয়ে বিএনপি'র নেতাকর্মীদের হামলার প্রতিবাদে সন্ত্রাসী আফজাল বালার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করি। সখিপুর থানার পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে কোন ফল পাইনি।পুলিশ বরং বিএনপি নেতা কর্মীদের পক্ষ নিয়ে উল্টো আমাদেরকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এ বিষয়ে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম জানান, মৌখিকভাবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। তবে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভয়ভীতি প্রদানের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, উভয় পক্ষকে নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে বিষয় মেটানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :