• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০১ জুলাই, ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯

ছাতকে সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ের ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ


FavIcon
মীর মোঃ আমান মিয়া লুমান, ছাতক(সুনামগঞ্জ):
প্রকাশিত: এপ্রিল ২০, ২০২২, ০৬:৩৯ পিএম
ছাতকে সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ের ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ
ছাতকে সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ের ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ

চরম হয়রানি ও অনিয়মের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হচ্ছে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা সাব রেজিস্টার অফিস। বহিরাগত এক ‘মোহরা’র দাপটের কাছে জিম্মি কর্মকর্তা ও কর্মচারী। সেবা গ্রহীতারা চাহিদা মতো ঘুষ না দিলে জরুরী কাজগুলো আটকে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পিযুষ রায়ের বিরুদ্ধে। গত সোমবার মোহরা পিযুষ রায়ের বিরুদ্ধে নিবন্ধন অধিদপ্তর ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের সারপিননগর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল নুর। এ ঘটনায় উপজেলা জুড়ে আলোচনা-সমালোচনায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানাযায়, ছাতক উপজেলা সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ে মোহরা’র পদে দু’জন কর্মরত রয়েছেন। এরপরও পিযুষ রায় দোয়ারাবাজার উপজেলার সাব রেজিষ্টার অফিসের কর্মচারী হয়ে ছাতকের সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ে এসে অবৈধভাবে দাপ্তরিক কাজ করেন। আবার দুই অফিস থেকে পৃথকভাবে বেতনভাতা গ্রহণ করছেন পিযুষ। ছাতক উপজেলা সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ের ‘মোহরা’ পদের দু’জন কর্মচারী থাকার পরেও অন্য উপজেলা থেকে ‘মোহরা’ এসে কেন কাজ করছেন? এ নিয়ে জনমনে বিরাট প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এছাড়াও সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ে আসা লোকজনের সাথে অশালীন আচরন ও ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করেন না তিনি। চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে ছাতকের সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ে নিয়ম বর্হিভুতভাবে পিযুষ রায় মোহরা’র দায়িত্ব পালন করলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না রহস্যহনক কারনে।

এব্যাপারে মোহরা পিযুষ রায় তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি দোয়ারাবাজার স্যারের সাথে এখানে আসি এবং অফিসের চিটি-পত্রের জবাব দেয়ার কাজ করি ।

এব্যাপারে উপজেলার সাব-রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) ফখরুল ইসলাম জানান, ছাতকের ষ্টাফরা সঠিক ভাবে কাজ করতে না পারায় পিযুষ বাবু এখানে কাজ করেন।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা সাব রেজিষ্টার মফিজুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন পিযুষ রায়ের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন বা অশালীন আচরনের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপ্বুক ব্যবস্থা নেয়া হবে।



Side banner