এ, বি ও সি শ্রেণির সরকারি বাসা বা বাড়ি সরাসরি বরাদ্দ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। নতুন ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্ধারিত কোটা সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব আবাসন বরাদ্দ দিতে হবে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর।
আবাসন পরিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ অ্যালোকেশন রুলস, ১৯৮২’-এর রুল-৬ অনুযায়ী এ, বি ও সি শ্রেণির সরকারি বাসা বরাদ্দের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের। অন্যদিকে, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের কাজ হলো এসব শ্রেণির আবাসনের কোটা নির্ধারণ ও প্রয়োজন অনুযায়ী তা সমন্বয় করা।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে পরিদপ্তর সরাসরি এ, বি ও সি শ্রেণির বাসা বরাদ্দ করবে না। বরং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নিজেদের নির্ধারিত কোটার ভিত্তিতে বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
পরিদপ্তর জানিয়েছে, তিন মাসের বেশি সময় খালি থাকা এ, বি ও সি শ্রেণির সরকারি আবাসন রাজস্ব আদায় এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে আবাসন পুলে ফিরিয়ে এনে প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বরাদ্দ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে।
এরই মধ্যে ওই নীতির আওতায় কিছু খালি বাসা যোগ্য কর্মচারীদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরে খালি বাসার তথ্য পাঠানো এবং বরাদ্দের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়।
সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের বাসা বরাদ্দ কমিটি-১-এর ৩০ জুনের সভাতেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় রুল-৬ অনুসরণ করে এ, বি ও সি শ্রেণির বাসা পরিদপ্তর থেকে সরাসরি বরাদ্দ না দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে অনুরোধ জানিয়েছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর।
আপনার মতামত লিখুন :