দেশের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নাব্যতা রক্ষা ও নৌ-যোগাযোগ সচল রাখতে পরিচালিত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর ড্রেজিং কার্যক্রম নিয়ে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সংস্থাটির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলরাকিবুল ইসলাম-কে ঘিরে অভ্যন্তরীণ প্রভাব বিস্তার ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রকল্প পরিচালনার অভিযোগ বিভিন্ন মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে তিনি সদস্য প্রকৌশল হিসাবে উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিবছর ড্রেজিং খাতে শত শত কোটি টাকা ব্যয় হলেও আরিচা–কাজীরহাট, দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া, ভৈরব–আশুগঞ্জ এবং মোংলা–ঘষিয়াখালীসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটে প্রত্যাশিত নাব্যতা নিশ্চিত হচ্ছে না। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ড্রেজিং কার্যক্রমে জ্বালানি ব্যবহারের হিসাব, ড্রেজার পরিচালনার সময়সূচি এবং লগবইয়ের তথ্যের সঙ্গে বাস্তব কার্যক্রমের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময় দেখিয়ে ব্যয় বাড়ানোর অভিযোগও উঠেছে।
এছাড়া বিআইডব্লিউটিএ’র নিজস্ব ড্রেজার বহর থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি ড্রেজার ভাড়ার ওপর নির্ভরতা বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, সরকারি যন্ত্রপাতি থাকার পরও কেন অতিরিক্ত ব্যয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা তৈরি হচ্ছে।
ড্রেজিংয়ের পর খননকৃত পলি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়ম অনুযায়ী দূরে পলি অপসারণ না করে কাছাকাছি ফেলে রাখলে তা আবার নদীতে ফিরে এসে একই এলাকায় পুনরায় ভরাট সৃষ্টি করে, ফলে একই স্থানে বারবার ড্রেজিংয়ের প্রয়োজন পড়ে।
ড্রেজার মেরামত, যন্ত্রাংশ ক্রয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ খাতেও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভ্যন্তরীণভাবে অনিয়মের বিষয়ে কথা বললে প্রশাসনিক চাপ বা বদলির আশঙ্কা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন বিভাগের কয়েকজন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী।
বিস্তারিত আসছে আগামীতে .........।
আপনার মতামত লিখুন :