• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

এবার চাঁদপুরে দুই ছেলেসহ একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ


FavIcon
মোঃ সোহাগ বকাউল
প্রকাশিত: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
এবার চাঁদপুরে দুই ছেলেসহ একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ

চাঁদপুর শহরের কুমিল্লা সড়কের আখন্দ মার্কেটের ‘এস কে জুয়েলার্স অ্যান্ড শিল্পালয়’-এর মালিক স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে গেছেন নাকি কোনো বিপদে পড়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

নিখোঁজ পিন্টু দাসের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায়। চাঁদপুর শহরে তিনি স্ত্রী রিমি, বড় ছেলে প্রিয়ম ও ছোট ছেলে রূপম দাসকে নিয়ে মদিনা মার্কেটের ‘সৌলভী ভিলা’ নামের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) পিন্টু দাসের নিখোঁজ থাকার কথা নিশ্চিত করেন তাঁর নিকটাত্মীয় উপমা দে।

জানা গেছে, পিন্টু দাস প্রায় ৫-৬ মাস আগে চাঁদপুর শহরে স্বর্ণালংকারের ব্যবসা শুরু করেন। তবে এর আড়ালে তিনি বন্ধকী স্বর্ণের বিনিময়ে সুদে টাকা লেনদেন করতেন এবং শহরের একাধিক সমিতি থেকেও বড় অঙ্কের ঋণ নিয়েছিলেন।

এদিকে, বন্ধক রাখা আড়াই ভরি স্বর্ণ ফেরত না দিয়ে পিন্টু দাস গায়েব হয়েছেন বলে গত ২৪ আগস্ট চাঁদপুর সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শহরের রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান। তিনি জানান, ১৯ আগস্ট ঋণের ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর ২০ আগস্ট স্বর্ণ ফেরত দেওয়ার কথা ছিল পিন্টু দাসের। কিন্তু সেদিন থেকেই তাঁর দোকান ও বাসা বন্ধ পাওয়া যায় এবং ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দুটিও বন্ধ রয়েছে।

একইভাবে শহরের দক্ষিণ গুণরাজদীর বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম ১২ আনা এবং শুভংকর মজুমদার ১০ আনা স্বর্ণ পিন্টু দাসের কাছে বন্ধক রেখেছিলেন বলে দাবি করেছেন। বর্তমানে বন্ধকী অলংকার ফেরত পাওয়া নিয়ে চরম উদ্বিগ্নতায় দিন কাটাচ্ছেন এসব গ্রাহক।

ঘটনার বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফেরদৌস জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়নি। ফোন নম্বরগুলো বন্ধ থাকায় অবস্থান নিশ্চিত করা কঠিন হচ্ছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, "পিন্টু দাসসহ চার সদস্যের নিখোঁজ থাকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। বন্ধকী স্বর্ণালংকার ফেরত না পাওয়ার বিষয়ে বেশ কয়েকটি মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।"


Side banner
Link copied!