• ঢাকা
  • বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলায় পিন্টু গ্রেপ্তার


FavIcon
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ০২:০২ পিএম
১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলায় পিন্টু গ্রেপ্তার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আন্তঃজেলা ট্রাক মালিক সমিতির কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে করা মামলায় মো. আলী কায়সার পিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি শ্রমিক দলের বহিষ্কৃত নেতা। গ্রেপ্তারের পর তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে পিন্টুকে মামলাটির আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম।

মামলার নথি অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট বিকেলে সাত মসজিদ হাউজিং এলাকার ভাঙা মসজিদ ট্রাক টার্মিনালে আন্তঃজেলা ট্রাক মালিক সমিতির কার্যালয়ে কয়েকজন লোক নিয়ে পিন্টু উপস্থিত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদী ও সমিতির সদস্য মো. বেলায়েত হোসেনের অভিযোগ, পিন্টুসহ অভিযুক্তরা আগে থেকেই তাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন এবং এ নিয়ে হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।

 

এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন সমিতির সদস্যদের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা দিতে বলা হয়। এতে রাজি না হওয়ায় কার্যালয়ের টেবিল, চেয়ার ও ব্যানারসহ বিভিন্ন জিনিস ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভাঙচুরে আনুমানিক ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাদী বেলায়েত হোসেনকে লাঠি দিয়ে মারধরের অভিযোগও আনা হয়েছে।

পরে সমিতির সভাপতি মনোয়ার হোসেন মন্টু, সাধারণ সম্পাদক জহির হোসেন এবং ড্রাইভার সমিতির সভাপতি মো. নুশু মিয়াসহ অন্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলায়েত হোসেনকে উদ্ধার করেন বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

 

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুর থানায় আলী কায়সার পিন্টুর বিরুদ্ধে আগে থেকেই অন্তত আটটি মামলা রয়েছে। পুলিশের স্থানীয় তালিকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে তার নামও রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের সবগুলো আদালতে প্রমাণিত হয়েছে কি না, তা পৃথকভাবে নিশ্চিত নয়।

 

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৫ সালের মে মাসে পিন্টুকে মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক পদ ও দলের সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

পরে ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের পক্ষ থেকে মোহাম্মদপুর থানার ওসিকে চিঠি দিয়ে তার বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, এরপর তিনি এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা দখলবাজির মতো কোনো কাজে জড়িত হলে তার দায় দলের নয়, ব্যক্তিগতভাবে তাকেই বহন করতে হবে।


Side banner
Link copied!