
রাজধানীর পল্টনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের প্রচারণার মিছিল থেকে গ্রেপ্তার ১৪ জনের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তিন দিনের রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন বাবু, নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নাঈম ভূঁইয়া, ছাত্রলীগ নেতা মো. রবিউল ইসলাম ও দিপু মোল্লা, যুবলীগ নেতা মিরাজ হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাসান সোহাগ, কুমিল্লা জেলা উত্তর শ্রমিক লীগের সাবেক সদস্যসচিব মো. আল-আমিন, মো. আব্দুল আলিম ওরফে সোহাগ সিকদার, আরিফ হোসেন ও মো. রবিউল করিম কনক।
এ ছাড়া এক দিনের রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন মো. মোজাম্মেল হোসেন রিপন, জাকির হোসেন ব্যাপারী, শফিকুল ইসলাম শফিক ও মহিউদ্দিন।
এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আবুল কালাম আজাদ তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন।
এ সময় আসামিপক্ষে তাদের ফারজানা ইয়াসমিন রাখি রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। উভয় শুনানি শেষে আদালত আসামিদের প্রত্যেকের জামিন নামঞ্জুর করে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে বিকেলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্যরা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য রাজধানীর পল্টন থানাধীন বায়তুল মোকাররম ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নিয়ে নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রচারণা চালায়। এ সময় ছাত্র-জনতার সহযোগিতায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেইটের আশপাশের এলাকা থেকে আটজন আসামিকে আটক করে পুলিশ।
এ ছাড়াও এজাহার নামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ১৪০ থেকে ১৫০ জন আসামি বিভিন্ন দিকে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। আটক আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সাথে থাকা এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামিদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করে।পরবর্তীতে ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাকিদেরকে গ্রেপ্তার করেন। এ ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় উপপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ খান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।
আপনার মতামত লিখুন :