শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় এক প্রধান শিক্ষককে মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকার দাবি করেছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর বাজারের পূর্ব পাশে ‘তিন দোকান’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
আহত নুরুল আমিন রতন, প্রধান শিক্ষক, বিঝারী উপশী তারা প্রসন্ন উচ্চবিদ্যালয়, জানান—বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজ তদারকি শেষে অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে তার গতিরোধ করা হয়। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার ডান হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করেন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগীর ছেলে হিমেল অভিযোগ করেন, তার বাবার ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান নিক্সন খান এবং ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদার বলেন, ঘটনার সময় তারা এলাকায় ছিলেন না; সাংগঠনিক কাজে বাইরে অবস্থান করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা।
নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহম্মেদ রয়েল মাঝি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। দলের কেউ জড়িত প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
আপনার মতামত লিখুন :