শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর। শিক্ষক সমাজ যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বসে পরকিয়া প্রেম লীলায় মগ্ন হন তবে ওই সকল শিক্ষক শিক্ষিকা দ্বারা শিক্ষার্থীরা কি আশা করতে পারে। ঞ্জান ধারন তো দুরেের কথা ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রেমের পাঠশশালা হিসেবেে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করেন সচেেতন মহল ও স্থানীয়রা। কাজিপুর উপজেলার পাটাগ্রাম বিএসডি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিভিল ইন্সট্রাক্টর শিক্ষক আব্দুল্লা আল কাফির সাথে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা মরহুম আব্দুস সালাম এর স্ত্রীর মোসাম্মাদ সুফিয়া বেগম এর সাথে পরকিয়ার প্রেমের অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে স্থানীয় শিক্ষক সমাজ সচেতন মহলে ন্যাক্কার জনক ঘটনার সমালোচনার ঝড় বইছে ।পাশাপাশি কাফি মাষ্টারের পরিবারের মধ্যে য়অন্তর কলহের জন্ম দিয়েছে। ফলে কাফি মাষ্টার স্ত্রী গৃহবধু মানসিক যন্ত্রনায় ভুগছেন। স্থানীদের অভিযোগ চরিত্রহীন শিক্ষক শিক্ষিকা আদর্শ শিক্ষকতার মন মানসিকতা কমটুকু এ নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে। নানা অনিয়মে শিক্ষকদের পাঠদানে অমনোযোগী হবার কারনে শিক্ষারমান নাজেহাল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি ও মুক্তিযোদ্ধা কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের দাবী শিক্ষার পরিবেশ সুরক্ষা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরকিয়া প্রেমে আসক্ত শিক্ষক ও শিক্ষিকাকে চাকুরী থেকে বরখাস্তের দাবী জানিয়েছেন। সেই সাথে সচেতন মহল মনে করেন বর্তমান প্রজন্মের অবস্থা একেতো নাজেহাল তার মধ্যে শিক্ষক শিক্ষিকার পরকিয়ার প্রেমের অনুভুতি শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রভাব পড়ার সম্ভবনায় স্থানীয়রা আশঙ্খায় ভুগছেন। কাফি মাষ্টাার এর কথা বললে তিনি সংবাদ প্রকাশ না করার সুপারিশসহ বিভিন্ন ব্যক্তি দ্বারা তদবিরের চেষ্টা করেন। বিষয়টি যথাযত আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :