• ঢাকা
  • রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

শরীয়তপুরে সুদের কারবারি মালেক আকনের ফাঁদে গুচ্ছগ্রামের ৩৬ টি পরিবার বিপদে


FavIcon
নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুরঃ
প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৭:৪৩ পিএম
শরীয়তপুরে সুদের কারবারি মালেক আকনের  ফাঁদে  গুচ্ছগ্রামের ৩৬ টি পরিবার বিপদে

শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের সরকারি নির্মিত  গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত ৩৬ টি পরিবার সুদের কারবারি মালেক আকনের কাছে জিম্মি। স্থানীয় সূত্রে সরজমিন  ঘুরে জানা গেছে জাজিরা উপজেলার পালেরচর  ইউনিয়নের কাথুরিয়া গ্রামের মালেক আকন দীর্ঘ বছর যাবত অত্র এলাকায় সুদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মালেক আকনের   প্রধান ব্যবসা হচ্ছে চড়া চক্রবৃদ্ধি হারে  সুদের ব্যবসা।মালেক আকন অত্র এলাকায় দরিদ্র মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক এবং বাৎসরিক সুদে টাকা লাগিয়ে প্রতিটি পরিবারকে রক্তচোষা জোক এর মতন নিঃস্ব করে ফেলছে। পালেরচর  ইউনিয়নের দরিদ্র মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সুদের কারবারি মালেক আকনের সুদের জালে জড়িয়ে পড়েছে।।জাজিরার মালেক আকন জোক গল্পের মহানায়ক।জোক গল্পের রক্তচোষা মহাজন হলেন চক্রবৃদ্ধি হারে সুদের কারবারি পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া গ্রামের মালেক আকন।পালের চর ইউনিয়নের দড়িকান্দি  গ্রামের গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত ভুক্তভোগী ভ্যান চালক শাহাবুদ্দিন  গণমাধ্যমকে জানান, মালেক আকন পালেরচর  ইউনিয়নের নামকরা সুদ ব্যবসায়ী।তার সুদের খপ্পরে পড়ে আমার মত অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। এক বছর আগে  বিপদে পড়ে  মালেক আকন  এর কাছ থেকে সপ্তাহে ২০০ টাকা সুদে ৫০০০ টাকা  নেই। ৫০০০ টাকায় তাকে এ পর্যন্ত সাড়ে বারো হাজার টাকা দিয়েছি। আমি কিস্তিতে একটি অটো ভ্যান কিনেছি। অটো চালিয়ে সংসার চালাই। গত বৃহস্পতিবার অটো ভ্যান চালিয়ে যাওয়ার সময় পালেরচর ইউনিয়নের  ফজলুল আকন মোড় আসলে  মালেক আকন এবং  তার লোকজন নিয়ে আমার অটো ভ্যান আটক করে এবং আমার কাছ থেকে সুদের চল্লিশ হাজার টাকা দাবি করে। সুদের ৪০ হাজার টাকা দিতে অস্বীকার করিলে আমার একমাত্র উপার্জনের যানবাহন অটো ভ্যান নিয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে কে জানালে স্থানীয়রা মালেক আকন  এর বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি নন। আমি নিরুপায় হয়ে জাজিরা থানায় এসে  অটো ভ্যান উদ্ধার করার জন্য মালেক আকন এর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগ করেও জাজিরা থানা পুলিশের সাহায্য না পেয়ে আমি জাজিরা উপজেলা ইউএনও স্যারের কাছে এসেছি। আমি অটো ভ্যান না চালাইতে পারলে স্ত্রীর সন্তানদের নিয়ে না খেয়ে মরবো।
জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সালেহ আহাম্মেদ গণমাধ্যমকে বলেন গতকাল অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের  বিরুদ্ধে আইনগত  ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Side banner

সারাবাংলা বিভাগের আরো খবর

Link copied!