বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২১ মাস দায়িত্ব পালনের পর ব্যক্তিগত কাজে মনোযোগ দিতেই তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পদত্যাগের বিষয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, দেশের পুঁজিবাজারের চ্যালেঞ্জপূর্ণ সময়ে তিনি কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং আইনি কাঠামো শক্তিশালী করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তিনি জানান, তার নেতৃত্বে গত ২১ মাসে মার্জিন ঋণ, আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড, ঋণপত্র ও হুইসেলব্লোয়ার সংক্রান্ত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া করপোরেট গভর্ন্যান্স, অডিট ও করপোরেট পুনর্গঠন সংক্রান্ত আরও কয়েকটি খসড়া বিধিমালা জনমতের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন’ এবং ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন’-এর খসড়াও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কমিশন কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়াতে ডিজিটাল প্রচারণা, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ভিডিও প্রতিযোগিতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
পদত্যাগের সময় বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাজার সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও কমিশনের দক্ষ জনবল দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আপনার মতামত লিখুন :