শরীয়তপুরে সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও নির্বাচিত প্রেস-ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম ইশ্রাফিল এর ওপর সন্ত্রাসী হামলা, রাতের আঁধারে জেলা প্রেসক্লাবের দেয়াল প্রাচীর ভাঙ্গার প্রতিবাদে জেলা প্রশাসকের প্রত্যাহার চেয়ে মানবন্ধন করেছেন, শরীয়তপুর জেলার কর্মরত সাংবাদিক মহল। রবিবার ২৩ আগস্ট বিকেল তিনটায় শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর প্রেস-ক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার,সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রবিন, প্রেস-ক্লাবের সহ সভাপতি শেখ মোঃ খলুর রহমান,সিনিয়র সাংবাদিক মাস্টার আব্দুস সামাদ তালুকদার ,একুশে টিভির সাংবাদিক আবুল বাশার, এটিএন বাংলার সাংবাদিক রোকনুজ্জামান পাভেজ,দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সত্যজিত ঘোষ, এখন টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি কাজী মনির,মাছরাঙা টেলিভিশনের প্রতিনিধি কবির উজ্জামান,সাংবাদিক মফিজুর রহমান,দৈনিক আমার সংবাদ জেলা প্রতিনিধি নুরুজ্জামান শেখ, ডিবিসি নিউজের সাংবাদিক রাজিব হোসেন রাজন, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ইচহাক মাদবর, কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল বারেকভুঁইয়া, মিরাজ শিকদার সহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ। মানববন্ধন শেষে সংবাদিকদের তোপের মুখে জেলা প্রশাসক গাড়ি থেকে নামতে একপর্যায়ে বাধ্য হন।প্রেসক্লাবের দেওয়াল প্রাচীর ভাঙ্গা সম্পর্কে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম সাংবাদিকদের বলেন শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদারকে মৌখিক ভাবে জানানো হয়েছে। কতিপয় কিছু সাংবাদিক অতি উৎসাহী হয়ে প্রশাসকের জেলা প্রশাসকের গাড়ি গতি রোধ করার চেষ্টা করেন।
সন্ত্রাসী হামলার শিকার সাংবাদিক বি-এম ইশ্রাফিলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,প্রেসক্লাবের দেওয়াল প্রাচীর ভাঙ্গার বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে জানতে চাইলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়। বিষয়টি আমার মুঠোফোনে রেকর্ড করা আছে।প্রেসক্লাবের দেওয়াল প্রাচীর ভাঙ্গার বিষয়ে জড়িত রয়েছে প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার।প্রেসক্লাবের দেওয়াল প্রাচীর ভাঙ্গার বিষয়ে প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার এবং জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম কে নিয়ে এই বিষয়ে ফেইসবুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দেই।সেই স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদারের ছেলে জিয়াউর রহমান পলাশ, তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ওপর হামলা করেছে।আমি আপনাদের সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিচার দাবি করছি।পালং মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
এ ব্যাপারে পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ্ আলম বলেন বাদী নিজে থানায় এসেছে। অভিযোগ পেয়েছি সাথে সাথেই মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটানার সাথে জরিত ব্যক্তিদের গ্রেফতারে চেস্টা চলছে।হামলার ঘটনার সম্পর্কে জেলা পুলিশ সুপার অবগত রয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :