• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলে শিগগিরই আসছে নীতিমালা


FavIcon
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ০২:০৮ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলে শিগগিরই আসছে নীতিমালা

ঢাকার প্রধান সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে খুব শিগগিরই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এতে এসব যান কোন সড়কে এবং কী পরিমাণে চলতে পারবে, যানবাহনের কারিগরি মান, নিরাপত্তা ও চালকদের প্রশিক্ষণসংক্রান্ত বিষয় নির্ধারণ করা হবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা বলেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঢাকার বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল বেড়েছে। এতে স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতে কিছু সুবিধা তৈরি হলেও রাজধানীর যান চলাচলে নতুন কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে প্রধান সড়কে এসব যান চলাচলের কারণে যানজট বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি রিকশাচালকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ রয়েছে কি না এবং যানগুলো প্রয়োজনীয় কারিগরি নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করছে কি না, সেসব বিষয়ও পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

সরকারের পরিকল্পিত নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলের নির্দিষ্ট এলাকা ও সীমা নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি যানবাহনের গঠন, কারিগরি সক্ষমতা ও নিরাপত্তা মান নিয়ে নিয়ম করা হবে।

চালকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতার বিষয়টিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা। তার মতে, এসব পদক্ষেপ কার্যকর হলে ব্যাটারিচালিত রিকশাকে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর মধ্যে আনা সম্ভব হবে।

সরকার দ্রুত নীতিমালা চূড়ান্ত করে রাজধানীর সড়কে এসব যান চলাচলে আরও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চায়।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটারিচালিত রিকশার পাশাপাশি সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপের কথাও তুলে ধরা হয়। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দিয়ে নতুন পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা।

তার ভাষ্য, নিম্নআয়ের মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছালে তা সরাসরি বাজারে ব্যয় হওয়ার ফলে পণ্য ও সেবার চাহিদা বাড়বে। এর মাধ্যমে অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি নতুন ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবার দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের সম্প্রসারণ শুরু হলেও ভবিষ্যতে এর আওতা আরও বাড়ানো হবে। ধীরে ধীরে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে এই সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।
 


Side banner
Link copied!