৫ আগস্ট পরবর্তী পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তীব্র আর্থিক সংকটে পড়েছে সিরাজগঞ্জ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়। সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই বিদ্যালয়টির পাশে দাঁড়িয়েছেন সিরাজগঞ্জ বিএল স্কুল এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এস এম সাইদুল ইসলাম।
১৮ জানুয়ারী রোববার সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখা ও শিক্ষকদের সহায়তায় নগদ অর্থ ও উপহার প্রদান করেন।
বিদ্যালয়ের সভাপতি জিন্নাহ সরদার ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর আমন্ত্রণে বি.এল স্কুল এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধি দল বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। এসময় সংকটের মধ্যেও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষাদান অব্যাহত রাখায় শিক্ষকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়। মানবিক সহায়তার প্রাথমিক ধাপে শিক্ষকদের ঈদ উৎসব ভাতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য খেলনা সামগ্রী বাবদ সাধারণ সম্পাদক এস এম সাইদুল ইসলামের নিজস্ব অর্থায়নে বি.এল স্কুল এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে নগদ ৩২ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়।
এই অনুদান আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বি.এল স্কুল এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এর সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা জামান।
এসময় মির্জা মোস্তফা জামান বলেন,
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা বন্ধ হয়ে গেলে সমাজই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই সংকটময় সময়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বি.এল স্কুল এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের পাশে দাঁড়ানো একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
সহায়তা প্রদানকালে এস এম সাইদুল ইসলাম বলেন, এই বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। বর্তমান সংকটে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন বন্ধ না হয়, সেই দায়বদ্ধতা থেকেই ব্যক্তিগতভাবে এই সহায়তা করেছি। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী বিদ্যালয়ের উন্নয়নে পাশে থাকব।
পরিদর্শনকালে সিরাজগঞ্জ বিএল স্কুল এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের মো. রাশেদ, আবু জর গিফারি, আতিকুর রহমান পারভেজ, আল শাহরিয়ার তুর্য, মুস্তাক শাহরিয়ার শুভ, আদনান সামি, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিন্নাহ সরদার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, অর্থ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, প্রধান শিক্ষক শামীম হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অভিভাবক এবং প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে এক আবেগ ঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
আপনার মতামত লিখুন :