প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্থ ৮ বীর ইউনিটের প্রশিক্ষণ এলাকায় গিয়ে তিনি চলমান সামরিক মহড়ার বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
সরকারপ্রধান প্রশিক্ষণ এলাকার বিভিন্ন অংশ পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে মহড়ার অগ্রগতি, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন।
পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী একটি অপারেশনাল ব্রিফিং পর্যবেক্ষণ করেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত রেইড মহড়াসহ বিভিন্ন বাস্তবভিত্তিক সামরিক অনুশীলন প্রত্যক্ষ করেন। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান গ্রহণ, সমরকৌশল প্রয়োগ এবং অস্ত্র ব্যবহারের বিভিন্ন দিকও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
মহড়ার একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী সেনা বাঙ্কারে নেমে দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। ছদ্মবেশে অবস্থান নেওয়া সেনাসদস্যদের কাছেও গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন।
এ সময় তিনি সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা খাবার গ্রহণ করেন এবং তাদের সঙ্গে চা পান করেন। মাঠপর্যায়ে সরকারপ্রধানের উপস্থিতি ও সরাসরি মতবিনিময়ে অংশ নিতে পেরে সেনাসদস্যদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণের কাছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি আস্থার প্রতীক। জাতীয় নিরাপত্তা, সংকট মোকাবিলা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :