হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বেপরোয়া ভাবে বনদস্যুরা রঘুনন্দন রেঞ্জের বনাঞ্চলে ও দেউন্দি চা বাগান থেকে উজাড় হয়ে যাচ্ছে মূল্যবান গাছ ।
পুলিশ প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় ,উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের কয়েকজন ব্যক্তি রাজনৈতিক দলের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রাতের আঁধারে দেউন্দি চা বাগান ও শালটিলা বন বিট থেকে মূল্যবান গাছ নিধন করে নিচ্ছে।
তবে বনদস্যুরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গ্রামের অসহায় লোক বা চা শ্রমিককে দিয়ে মজুরি দিয়ে গাছ কেটে নিচ্ছে ।
সম্পতি বনদস্যুরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রায়ই তারা দেউন্দি চা বাগানের গাছ কেটে নিচ্ছে। ফলে চা উৎপাদন মারাত্মক ভাবে ব্যহাত হচ্ছে।
তাছাড়া শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা ও বনরক্ষীদেরকে প্রাণ নাশের হুমকি ধামকি দেয় এবং বিভিন্ন দপ্তরে নামে-বেনামে মিথ্যা আজগুবি অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে ।
এদিকে দেউন্দি চা বাগান ও শালটিলা বন বিটের অধীনে গাছ পাচারের অন্যতম বড় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী গ্রামের বনদস্যু ও বালু খেকো মূলহোতা মোঃ জসিম উদ্দিন (৪০) নেতৃত্বে তার সহযোগী একই এলাকার চিহ্নিত বনদস্যু ও ডাকাত সর্দার আজমান আলী (৩৫)। গাছ পাচার সহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি সাথে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে বাগানের গাছ চুরি সহ ডাকাতি মামলা থানায় ডায়েরি ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া অনেকবার জেল কেটে বের হয়ে আবার শুরু করে গভীর রাতে চা বাগানে ও শালটিলা বন বিটের গাছ কাটা। বন বিভাগ বলছে , বদরগাজী এলাকার সংগঠিত সিন্ডিকেট ছত্রছায়ায় দীর্ঘ দিন ধরে দেউন্দি চা বাগানের ভেতর ও শালটিলা বন বিট এলাকায় গাছ পাচার চলছে । রাতে বনদস্যুদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, দাঁড়ালো রামদা , দাঁড়ালো দা , লাঠি থাকায় চা বাগানের পাহারাদার ও বনরক্ষীদের নিরাপত্তা পড়েছে মারাত্মক ঝুঁকিতে ।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক দেউন্দি চা বাগানের কয়েকজন চা শ্রমিক জানান , শালটিলা বন বিট ও চা বাগানে রাতের আধারে গাছ পাচারের অন্যতম বড় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা মোঃ জসিম উদ্দিন।
তার বিরুদ্ধে মুখ খুলে কথা বলার কেউ নেই । সে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম ভাঙিয়ে গাছ চুরির কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :