শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের পাশে টিন দিয়ে তৈরি একটি ঘরের ভিতর থেকে প্লেইং কার্ড তাস দিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় ১০ জোয়ারু কে পালং মডেল থানা পুলিশ আটক করেন।
গত ৩ জুন ২০২৬ বুধবার বেলা বারোটার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পালং মডেল থানার পুলিশের একটি টিম ১০ জোয়ারু কে আটক করতে সক্ষম হন। এই দশ জুয়ারু তিন বান্ডেল তাস এবং টাকা সহ পুলিশের হাতে আটক হওয়া কে কেন্দ্র করে ডোমসার ইউনিয়নে মাদক কারবারি, সেবনকারী এবং জুয়ারুদের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে এমনটাই জানালেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে দীর্ঘদিন যাবত জুয়ারু চক্র তুলাশার ইউনিয়নের আড়ীগাঁও এলাকার বিভিন্ন স্থানে বাইশ রশি,চব্বিশ রশি,সন্ধি সার এবং ডোমসার ইউনিয়নের তেতুলিয়া, সুজন দোয়াল এলাকার বিভিন্ন নির্জন নিরিবিলি পরিবেশে বিভিন্ন বাড়িতে অর্থের বিনিময়ে মাদক সেবন থেকে শুরু করে টাকা দিয়ে দিনরাত জুয়া খেলে। মাদক সেবন ও জুয়া খেলার কারণে সমাজে প্রতিনিয়ত চুরি ছিনতাই রাহাজানি খুন ধর্ষণ ডাকাতির মত বড় বড় ঘটনা ঘটছে। সমাজ এবং রাষ্ট্রের বড় ব্যাধি হচ্ছে মাদক কারবারি, মাদক সেবন এবং অনলাইন থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের জুয়া। ১০ জন জুয়ারু ডোমসার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের পাশে একটি ঘরের ভিতর জুয়া খেলতেছিল।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পালং থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম এর নির্দেশ ক্রর্মে পুলিশের একটি টিম তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে তাস দিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় টাকাসহ ১০ জনকে আটক করেন। দশ জোয়ারুরা হলেন জলিল বেপারী(৫৫),জাকির হোসেন(৫০),ইকবাল মাদবর(৪৫),মনের মাদবর (২৮),মাইন উদ্দিন ফকির(৪৫),ইনতিয়াজ আলী সরদার(৫৫),জামাল হোসেন বেপারী(৫০),(রফিকুল ইসলাম(৬০),চূন্নু মাতবর(৫৫),ফারুক বেপারী(৪৭)।
পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম গণমাধ্যমকে জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি একটি জোয়ারু চক্র ডোমসার ইউনিয়ন পরিষদের পাশে একটি ঘরের ভিতর জুয়া খেলতেছে।তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠাই। আমার পুলিশ সদস্যরা তিন বান্ডেল তাস এবং টাকা সহ জুয়ারুদের কে আটক করতে সক্ষম হয়।টাকা দিয়ে জুয়া খেলার অপরাধে জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। আসামিদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের সাথে যারা জড়িত রয়েছে এবং জুয়ারুদের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান।
আপনার মতামত লিখুন :