দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পরিচালক (প্রশাসন) ওমর ফারুক। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বন্দরের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও কর্মবান্ধব করে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণে তিনি গ্রহণ করেছেন একাধিক ইতিবাচক উদ্যোগ। কর্মপরিবেশ উন্নয়ন, সময়োপযোগী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দাপ্তরিক কাজে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
ওমর ফারুক বিশ্বাস করেন—একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার জনবল। সে বিশ্বাস থেকেই তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করেন, তাদের সমস্যা শোনেন এবং যৌক্তিক সমাধানে গুরুত্ব দেন। এর ফলে বন্দরের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গড়ে উঠেছে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার একটি সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ।
তার নেতৃত্বে প্রশাসনিক কার্যক্রমে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে, ফাইল নিষ্পত্তির গতি বেড়েছে এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এতে একদিকে যেমন সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে, অন্যদিকে বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্ষমতাও আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওমর ফারুক দীর্ঘ সময় ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার প্রতিটি পদোন্নতি বিভাগীয় পরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ অনুমোদনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ভিত্তিতেই তিনি নিজ অবস্থান অর্জন করেছেন। তার পদোন্নতি কোনোভাবেই অযোগ্যতার পরিচায়ক নয়; বরং তা কঠোর পরিশ্রম, সততা ও পেশাদারিত্বেরই প্রতিফলন।
সূত্রগুলো আরও জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত হতাশা ও ব্যর্থতা থেকে একজন দক্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো—বিসিএস ক্যাডার পদের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের আওতাভুক্ত, যেখানে ব্যক্তিগত প্রভাব বা হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই।
চট্টগ্রাম বন্দরের মতো একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে ওমর ফারুক প্রমাণ করেছেন—সৎ, দক্ষ ও মানবিক নেতৃত্ব থাকলে প্রশাসন হতে পারে উন্নয়নের কার্যকর হাতিয়ার। তার কর্মদক্ষতা ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতেও চট্টগ্রাম বন্দরের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
আপনার মতামত লিখুন :