• ঢাকা
  • রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২

চাঁদাবাজ,ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বাঁচতে চায় আব্দুল মান্নান সরদার


FavIcon
নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুরঃ
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
চাঁদাবাজ,ভূমিদস্যুদের হাত থেকে বাঁচতে চায় আব্দুল মান্নান সরদার

শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলার সেনের চর ইউনিয়নে করিম উদ্দিন মাতবরের কান্দি এলাকায় চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু মোঃ দুলাল ফকিরের হাত থেকে বাঁচতে চায় ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান ফকির।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,মান্নান ফকিরের ভোগ দখলকৃত ফসলি সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করেন বড় কৃষ্ণনগরের সরকারি কলেজের কৃষি বিভাগের অধ্যক্ষ তারামিয়ার নেতৃত্বে মোঃ দুলাল ফকির এমন অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান ফকির গণমাধ্যমকে জানান,পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৯ শতাংশ জমি আমি ভোগ দখল করিয়া আসতেছি।দীর্ঘদিন যাবত এলাকার একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ চাঁদাবাজিতে মেতে ওঠে।আমার কাছে ৯ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।কি কারনে তাদের চাঁদা দিব জানতে চাইলে,তারা তাদের পূর্ব হতে পালিত সন্ত্রাসী ও ডাকাত দলের অর্থের যোগান জোগাতে আমার কাছে এই মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে।ইতিপূর্বে আমি জমিতে কলই রোপন করি।রোপন করা সম্পত্তি যদি আমি ভোগ দখল করি তাহলে তাদের দাবিকৃত ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে।তাদের দাবিকৃত চাঁদা না দিলে যেকোনো সময় আমার ভোগ দখলকৃত জমি থেকে আমাকে উচ্ছেদ করা হবে এবং তারা উক্ত জমি দখল করে নিয়ে যাবেন এইভাবে আমাকে হুমকি দেয়। দুলাল ফকির এবং তারামিয়া বিভিন্ন সময় আমাকে অস্ত্র নিয়া আশিয়া গুলি করিয়া হত্যা করার ভয় দেখায়।এই পরিস্থিতিতে আমি নিরুপায় হয়ে শরীয়তপুর জেলা পুলিশ সুপারের বরাবর অভিযোগ দিতে বাধ্য হয়েছি।  

জাজিরা বড় কৃষ্ণনগর সরকারি কলেজের কৃষি শিক্ষার প্রভাষক মাহমুদুল হাসান ওরূপে তারা মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন,মন্নান ফকির গং এবং দুলাল ফকির গং তাদের বাপ দাদার সম্পত্তি নিয়ে আমার স্ত্রীর আপন ভাই প্লাস চাচতো ভাই তাদের জমি জমা ৫০/ ৬০ বছর যাবত তার বাপ -চাচা, দাদারা মিলতাল করে যেভাবে খাওয়াইয়া আসতে ছিলেন,সেই জায়গা জমিন তারা খাইতেছিল।রাস্তার পশ্চিম পাশে ২২ শতক জমির ৯ শতক জমি ভোগ দখল করে মান্নান ফকির আর বাদবাকিটা ভোগ দখল করে আমার স্ত্রীর আপন ভাই দুলাল ফকির গং। আবার রেকর্ড আসার পূর্বে তখন আবার সেই ভাগ বাটোয়ারা মন্নান ফকির আবার উলটপালটের কথা বললে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং চেয়ারম্যান, মেম্বার এলাট পার্সন লোকজন থাকিয়া এবং সরোজমিনে তারা মাপজোগ কোরিয়া খুডা খাটি গাড়িয়া দিয়েছিল এমতাবস্থায় তার দশ বছর পর এখন আবার সে বলতেছে যে ৫৭, ৫৮ দাগের জমিটা ভোগ দখল করে উত্তর পাশে এই বছর আবার সে দাবি করে যা আমি দক্ষিণ পাশেই খাব।এ নিয়ে তাদের মধ্যে মন মালিন্য। যে ব্যাপারে আমাকে তারা বলতেছে চাঁদাবাজি মামলা অভিযোগ আসলেই এ ব্যাপারে আমি ভালো মন্দ কিছুই জানিনা। তারাই জানে আমি একজন শিক্ষক মানুষ।আমি একজন প্রভাষক কৃষি শিক্ষা।এই জাতীয় আমার কোন অভিযোগ নাই। আপনারা তদন্ত করে দেখতে পারেন। অযথা আমার মান সম্মান হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।মূলত আমার স্ত্রীর আপন ভাই এবং তার চাচাতো ভাই মন্নান ফকিরের সাথে জায়গা জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব।আমি এ বিষয়ে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে সব ভুয়া বানোয়াট মিথ্যা।


Side banner

সারাবাংলা বিভাগের আরো খবর

Link copied!