• ঢাকা
  • বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, রপ্তানিতে মিলতে পারে বড় সুবিধা


FavIcon
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: জুলাই ২৯, ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম
দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, রপ্তানিতে মিলতে পারে বড় সুবিধা

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় আগামী ৪ আগস্ট চুক্তিটি সই হতে পারে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সিইপিএ চুক্তির শেষ দফার আলোচনা করতে বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া সফর করছে। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরেরও প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও সম্পদমন্ত্রী কিম জং-ক্বানের মধ্যে টেলিফোনে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনায় চুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

সিইপিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে একাধিক সুবিধা পেতে পারেন। আলোচনায় থাকা বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্যে শুল্কমুক্ত বা অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা। এছাড়া স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পরও কিছু বাণিজ্য সুবিধা বজায় রাখার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

এ ছাড়া রুলস অব অরিজিন, আইটি, প্রকৌশল, আর্থিক সেবা ও শিক্ষা খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগ, কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজীকরণ, ডিজিটাল কাস্টমস ব্যবস্থা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের সুরক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তির কাঠামোও চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বর্তমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪৯১ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়, আর দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আমদানি হয় প্রায় ৯০২ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। ফলে দুই দেশের বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঘাটতি রয়েছে।

বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য এবং সিরামিক সামগ্রী। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা হয় শিল্প যন্ত্রপাতি, লোহা-ইস্পাত, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, রাসায়নিক পণ্য, প্লাস্টিক এবং কাগজজাত সামগ্রী।


Side banner

অর্থনীতি বিভাগের আরো খবর

Link copied!