নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে নিতে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে এ বৈঠকে আলোচনা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে বৈঠক শুরু হয়। এতে নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। আইনমন্ত্রীও জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকার আশাবাদী।
বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী তপশিলে মনোনয়নপত্র দাখিল, যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ভোটগ্রহণের তারিখ ও সময় নির্ধারণ করা হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদের সদস্যরাই ভোটার হিসেবে অংশ নেবেন। একাধিক প্রার্থী হলে সংসদ সদস্যরা গোপন ব্যালটে ভোট দেবেন এবং সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
আপনার মতামত লিখুন :