মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাবের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও কর্তৃপক্ষ বলছে, এখনো পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের মজুদ ৯ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৪৬ দিন পর্যন্ত চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।
মজুদের বর্তমান চিত্র অনুযায়ী—
ডিজেল প্রায় ১৪ দিনের, অকটেন ৯ দিনের, পেট্রল ১১ দিনের এবং ফার্নেস তেল প্রায় ২৯ দিনের চাহিদা মেটাতে পারবে। এছাড়া জেট জ্বালানি ২৩ দিন, কেরোসিন ৪৬ দিন এবং মেরিন জ্বালানি প্রায় ৪৪ দিন সরবরাহ বজায় রাখতে সক্ষম।
এদিকে পরিশোধনাগারে অপরিশোধিত তেলের মজুদ রয়েছে, যা দিয়ে আরও প্রায় ১৭ থেকে ১৮ দিন উৎপাদন চালানো সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহে বর্তমানে তিনটি বড় চাপ কাজ করছে—জাহাজ আসতে বিলম্ব, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা এবং আতঙ্কে অতিরিক্ত চাহিদা বৃদ্ধি।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সরাসরি ঝুঁকিতে পড়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং কোনো সংকট হবে না। তবে আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনাকাটার কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক চাপ তৈরি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আমদানি স্বাভাবিক রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় মজুত না করলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
আপনার মতামত লিখুন :