• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

সিরাজগঞ্জে জমিজমা বিরোধে ভাঙ্গচুর ও মারপিটের ঘটনায় একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ আহত -৬


FavIcon
জহুরুল ইসলাম:
প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
সিরাজগঞ্জে জমিজমা বিরোধে ভাঙ্গচুর ও মারপিটের ঘটনায় একই পরিবারের নারী ও  শিশুসহ আহত -৬

জমিজমা বিরোধের জের ধরে রাতের অন্ধকারে   ভাঙ্গচুর ও মারপিট  ঘটনায় একই পরিবারের শিশুসহ  ৬ জন আহত করার অভিযোগ উঠেছে। 
গুরুতর আহতদের  রাতেই বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (২৯ মার্চ ) আনুমানিক রাত ৯ ঘটিকার সময় কাজিপুর উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নের  কালিকাপুর  গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান,  কালিকাপুর গ্রামের মৃত আলহাজ জালাল উদ্দিন মাস্টারের ছেলে আবু বক্কার সিদ্দিক গং দের সাথে প্রতিবেশী আমজাদ হোসেন গংদের বসতি বাড়ি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। 

এই ঘটনায় আবু বক্কার সিদ্দিক ( ৪৮) ২১ শতক  নিজ সম্পত্তি দখল পেতে সহকারী জজ আদালত কাজিপুর ডিগ্রিজারী মামলা দায়ের  করেন। যার মামলা নং - ০৩/২০২৩ ইং। বিঞ্জ আদালত দীর্ঘ শুনানীর পর  আবু বক্কার সিদ্দিক গংদের পক্ষে রায় প্রদান করে দখলী বুঝে দেন প্রশাসন।

বিঞ্জ আদালতের রায় পাওয়ার পর আবু বক্কার সিদ্দিক গংরা ডিগ্রিজারী সম্পত্তির উপর একটি চার চালা টিনের ঘর নির্মানসহ আধা পাকা ঘর নির্মানের কাজ শুরু করেন। 

ইতিমধ্যে বিবাদী পক্ষ মৃত ময়াজ উদ্দিনের ছেলে আমজাদ হোসেন গংরা ডিগ্রিজারী মামলার উপর স্থগিতাদেশ (১৪৪ ধারা) মামলা দায়ের করেন। ১৪৪ ধারা জারী হলে আবু বক্কার সিদ্দিক গংরা নির্মানের কাজ বন্ধ রাখেন।

এরই মধ্যে  রবিবার রাত ৯ ঘটিকার সময় আবু বক্কার সিদ্দিক গংরা ঘুমন্ত  থাকা অবস্থায়  প্রতিপক্ষ লোকমানের ছেলে বাবু মন্ডল(৪০), ও হারুন(৩৫), জেল হকের ছেলে সোনারুদ্দি(৪২) ও মো. জহু(৪০),মেয়ে মোছা.রিনা খাতুন,  মৃত আকবর আলীর ছেলে আব্দুল মমিন (৩৮) মুছার ছেলে আমিনুল ইসলাম((৩৫), সহ ১৫/২০ জনের সঙ্গবদ্ধ দল সন্ত্রাসী কায়দায়  পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে আকষ্মিক হামলা চালিয়ে ভাংচুর এবং শিশু ও নারীসহ ৬ জনকে মারপিটে গুরুতর আহত করেন। 
প্রত্যক্ষদর্শিরা  জানান, মৃত আলহাজ জালাল উদ্দিনের ছেলে আবু বক্কার সিদ্দিক(৪৮), ও আব্দুল বারিক((৪৫),  মৃত মুছা সেখের ছেলে মনির(২৩), মোছা. মরিয়ম খাতুন(৫২), আবু বক্কারের স্ত্রী রুনা খাতুন(৩০) ও আবু বক্কারের শিশু কন্যা সাবিয়া খাতুন(৩) কে এলোপাথারী মারপিটে গুরুতর আহত করেছেন।

এবিষয়ে এলাকার মুরুব্বী এমদাদুল ইসলাম বলেন -আবু বক্কার সিদ্দিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রায় পাওয়ার পর ঘর নির্মান শুরু করেন। বিঞ্জ আদালতে  রায়ের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ প্রদান করা হলে ঘর নির্মান বন্ধ করা হয়। কিন্তু আমজাদ হোসেন গংরা পায়ে পারা  দিয়ে বিবাদ সৃষ্টি করছে। এর অবসান চাই।

আহতদের অনেকে আশংকাজনক অবস্থায় বগুড়া  শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আদালতের রায় উপেক্ষা করে নারী ও শিশুসহ ৬ জনকে আহত করার  বিষয়টি  তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা নিতে উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
 


Side banner
Link copied!