• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

ইসরায়েলকে ২৮০ কোটি ডলারের অস্ত্র দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


FavIcon
আন্তর্জাতিক ডেক্স :
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম
ইসরায়েলকে ২৮০ কোটি ডলারের অস্ত্র দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলের কাছে প্রায় ২৮০ কোটি ডলার বা ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদ বিক্রির পরিকল্পনা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। প্রস্তাবিত প্যাকেজে ২ হাজার পাউন্ড ওজনের ৪০ হাজার বোমা রয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

প্রস্তাবিত চালানে ২০ হাজার এমকে-৮৪ এবং ২০ হাজার বিএলইউ-১১৭ বোমা রয়েছে। এর সঙ্গে ২০ হাজার আই-২০০০ পেনিট্রেটর ওয়ারহেডও থাকার কথা জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। তবে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

 

বড় অঙ্কের অস্ত্র বিক্রির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট মার্কিন কংগ্রেস কমিটিগুলোকে বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, বিদেশে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবগুলো নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত না হওয়া কোনো বিক্রয় প্রস্তাব নিয়ে প্রশাসন বিস্তারিত মন্তব্য করেনি।

ইসরায়েলি দূতাবাসের কাছ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

প্রস্তাবিত প্যাকেজের সবচেয়ে আলোচিত অংশ হলো ২ হাজার পাউন্ড ওজনের বোমাগুলো। এ ধরনের ভারী বোমা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ব্যবহার করা হলে বড় ধরনের ধ্বংস ও বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ উদ্বেগ জানিয়েছেন।

২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলের জন্য ২ হাজার পাউন্ডের বোমার একটি চালান আটকে রেখেছিলেন। পরে ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই স্থগিতাদেশ তুলে দেওয়া হয়।

 

প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে আপত্তির কথাও সামনে এসেছে। প্রতিনিধি পরিষদের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট গ্রেগরি মিক্স জানিয়েছেন, তিনি বিক্রিটির অনুমোদন না দেওয়ার অবস্থান নিয়েছেন। ঘনবসতিপূর্ণ গাজা ও লেবাননে এসব অস্ত্র কীভাবে ব্যবহৃত হতে পারে এবং আন্তর্জাতিক ও মার্কিন আইনের সঙ্গে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে কি না—এ নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তবে একজন কংগ্রেস সদস্যের আপত্তি একাই প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট নয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

 

ইসরায়েল বলে আসছে, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় না। দেশটির বক্তব্য অনুযায়ী, সামরিক অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য হলো সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবকাঠামো ধ্বংস করা।


Side banner
Link copied!