রাজধানীর বংশাল এলাকায় পারিবারিক বিরোধের এক ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সুমন (৪০) নামে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাজিমউদ্দিন রোডের জমিদার গলির একটি বাসায় ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সুমনের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবার নাম নবী মিয়া।
হাসপাতালে সুমনকে নিয়ে আসা তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা আক্তার জানান, তিনি মেয়েকে নিয়ে জমিদার গলির ওই বাসায় বসবাস করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে সুমন তার বাসায় ছিলেন। এ সময় বাসা থেকে কিছু টাকা হারানো এবং মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
নাসিমার দাবি, সংঘর্ষের সময় ধারালো একটি লোহার বস্তু ব্যবহৃত হয় এবং ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সেটি সুমনের বুকে বিদ্ধ হয়। পরে তিনি নিজেই সুমনকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে এই বক্তব্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক জানান, হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে তার বুকের বাঁ পাশে একটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :