দেশের বাড়তি চাহিদা মেটাতে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আমদানি ব্যয় কমাতে দেশীয় মালিকানাধীন জাহাজ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসে প্রায় ৯ লাখ ২২ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছে। একই সময়ে এলপিজি ও এলএনজি আমদানিও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে এই আমদানির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় অন্যান্য পণ্যের তুলনায় বেশি। কয়েক মাসেই এই খাত থেকে হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব এসেছে।
বর্তমানে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্পট বাজার থেকেও জ্বালানি কেনা হচ্ছে। বন্দরে জ্বালানিবাহী জাহাজ খালাসে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতি মাসে গড়ে ৩৫ থেকে ৪০টি জ্বালানিবাহী জাহাজ ভিড়ে। বছরে যা প্রায় ৫০০টির কাছাকাছি। তবে এসব জাহাজই বিদেশি মালিকানাধীন হওয়ায় ভাড়া বাবদ বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশীয় মালিকানাধীন জাহাজ থাকলে পরিবহন খরচ কমার পাশাপাশি সংকট মোকাবিলাও সহজ হতো।
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জাহাজ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় আরও বাড়ছে। তাই দীর্ঘমেয়াদে নিজস্ব জাহাজ বহর গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
আপনার মতামত লিখুন :