• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

ওবামাকে ঘিরে ট্রাম্পের নতুন অভিযোগ, ইরানকে নগদ অর্থ দেওয়ার প্রসঙ্গ আবারও আলোচনায়


FavIcon
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ১২:০২ এএম
ওবামাকে ঘিরে ট্রাম্পের নতুন অভিযোগ, ইরানকে নগদ অর্থ দেওয়ার প্রসঙ্গ আবারও আলোচনায়

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ তুলেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি কার্যকর করতে ইরানকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছিল, যা তিনি রাজনৈতিকভাবে সমালোচনা করেছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ওবামা প্রশাসন পারমাণবিক সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানের কাছে প্রায় ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নগদ অর্থ পাঠিয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ বহনে একটি বোয়িং ৭৫৭ বিমান ব্যবহার করা হয়েছিল এবং এ ঘটনার আলোকচিত্রও তার কাছে রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে আগের প্রশাসন অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছিল। তবে এসব বক্তব্যের পক্ষে তিনি নতুন কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

২০১৫ সালে ইরান ও ছয় বিশ্বশক্তির মধ্যে স্বাক্ষরিত জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তির মাধ্যমে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা আরোপের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

ক্ষমতায় আসার পর ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ওই চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেন। এরপর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু এখনো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টাতেও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রশ্নটি অন্যতম বড় বাধা হিসেবে সামনে এসেছে।

এদিকে ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য নিয়ে ওবামা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান নীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিতর্ক আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে।


Side banner
Link copied!