• ঢাকা
  • শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশে পৌঁছেছে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মরদেহ, জানাজা বিকেল ৩টায়


FavIcon
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
দেশে পৌঁছেছে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মরদেহ, জানাজা বিকেল ৩টায়

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রয়াত প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তাঁর কফিন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। আজ বিকেল ৩টায় রাজধানীর বনানীর ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বিমানবন্দরে পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে তাঁর মরদেহ বাসায় নেওয়া হবে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের শেষবারের মতো দেখার পর দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত বনানীর ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠে মরদেহ রাখা হবে। সেখানে বন্ধু, সহকর্মী, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

জানাজা শেষে বিকেল ৫টায় মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করার কথা রয়েছে।

ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে থাকা অবস্থায় গত ১ অক্টোবর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তৌফিক ইমরোজ খালিদী। পরে তাঁকে সেন্ট বার্থোলোমিউস হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। পরদিন স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

গত ৮ অক্টোবর পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইন মসজিদে জোহরের নামাজের পর তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাবেক সহকর্মী এবং স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বাংলাদেশের অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা তৌফিক ইমরোজ খালিদীর নেতৃত্বে ২০০৬ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে। ওই বছরের ২৩ অক্টোবর ২৪ ঘণ্টার সংবাদসেবা চালুর মাধ্যমে দেশে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।

১৯৮৯ সালে সাংবাদিকতা শুরু করেন তৌফিক ইমরোজ খালিদী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর শেষ করে তিনি সানডে এক্সপ্রেসে যোগ দেন। পরে ডেইলি স্টার ও দ্য ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেসে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন। ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০০৫ সালের জুন পর্যন্ত তিনি লন্ডনে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন।

সৎ, নির্ভীক ও স্বাধীন সাংবাদিকতার আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন তিনি। লন্ডনে জানাজার আগে দেওয়া বক্তব্যে তাঁর ছেলে রাদ শারার খালিদী বাবার সাংবাদিকতাকে শুধু পেশা নয়, বরং দায়িত্ব ও অনুরাগের জায়গা হিসেবে বর্ণনা করেন।


Side banner
Link copied!