মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি সংকট তীব্র হওয়ায় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চাপ বেড়েছে। এতে প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উৎপাদন সক্ষমতা পর্যাপ্ত থাকলেও জ্বালানির ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। ফলে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গ্যাস সরবরাহ ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নামলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে যেতে পারে। অন্যদিকে এপ্রিল-মে মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে, যেখানে সম্ভাব্য উৎপাদন প্রায় ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।
সম্প্রতি ছুটির দিনেও রাতে প্রায় ১০০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এর প্রভাব শহরের তুলনায় বেশি দেখা যাচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সন্ধ্যার পর শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধের সময় নির্ধারণ, অফিস সময় কমানোসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চাপ কিছুটা কমতে পারে। তবে তাপমাত্রা বাড়লে এবং বৃষ্টিপাত কম হলে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়বে, যা লোডশেডিং পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :