শেরপুরের শ্রীবরদীতে ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া নারীর মরদেহের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অনৈতিক সম্পর্কের পর টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ডলি আক্তার নামে ওই নারীকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই জানায়, নিহত ডলি আক্তার নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের বাসিন্দা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিয়ামুর নাহিদ ও তার স্ত্রী রিক্তা মনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, গাজীপুরের শ্রীপুরে ভাড়া বাসায় থাকা অবস্থায় নাহিদ অর্থের বিনিময়ে ডলিকে বাসায় নিয়ে যান। পরে টাকা কম দেওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে নাহিদ গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করেন।
ঘটনার পর স্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়ে লাশ গোপনের পরিকল্পনা করেন নাহিদ। পরে দুজনে মিলে একটি বড় ট্রাঙ্ক কিনে মরদেহ তোষকে পেঁচিয়ে ভেতরে রাখেন।
পরবর্তীতে মরদেহ সরানোর জন্য পিকআপভ্যান ব্যবহার করে শেরপুরের শ্রীবরদী এলাকায় এনে একটি নির্জন স্থানে ট্রাঙ্কটি ফেলে রেখে পালিয়ে যান তারা।
পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পিকআপভ্যান শনাক্ত করে চালককে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে।
ঘটনায় তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
আপনার মতামত লিখুন :