স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), ঢাকা কার্যালয়ে কর্মরত সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী ছাবের আলীর বিরুদ্ধে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে অনিয়ম, ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি এবং কাজের মানে ছাড় দেওয়ার মাধ্যমে তিনি সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, দপ্তরে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীকে অধিকাংশ সময় উপস্থিত পাওয়া যায় না। বাস্তবে প্রশাসনিক ও প্রকল্পসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসহ নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব কার্যত পালন করে যাচ্ছেন সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী ছাবের আলী। একাধিক ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, প্রকল্প অনুমোদন, বিল ছাড় ও অন্যান্য কার্যক্রমে নির্বাহী প্রকৌশলীর ভূমিকায় মূলত ছাবের আলীকেই সক্রিয় দেখা যায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাবের আলীর গ্রামের বাড়ি বগুড়া জেলায়। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে প্রভাব বিস্তার করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, এলজিইডির বিতর্কিত নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে ছাবের আলী দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম অব্যাহত রেখেছেন।
সূত্র জানায়, তার তত্ত্বাবধানে থাকা একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে—ব্যয় প্রাক্কলন অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি,কাজের মানে স্পষ্ট ঘাটতি,একই ঠিকাদারকে বারবার সুবিধা প্রদান,মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজের সঙ্গে দাখিলকৃত কাগজপত্রের মিল না থাকা
এমন একাধিক অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ের কিছু প্রকল্পে কাগজে-কলমে কাজ সম্পন্ন দেখানো হলেও বাস্তবে কাজ অসম্পূর্ণ কিংবা নিম্নমানের বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও ছাবের আলীর নামে এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে একাধিক জমি, ভবন ও অন্যান্য সম্পদের তথ্য সামনে এসেছে। এসব সম্পদের উৎস ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে?
বিস্তারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন শিগগিরই প্রকাশিত হবে।
আপনার মতামত লিখুন :