• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ, ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০

এখন ডিসি-এসপিরাও নৌকার পক্ষে ভোট চায় : রিজভী


FavIcon
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৩, ০৪:১৯ পিএম
এখন ডিসি-এসপিরাও নৌকার পক্ষে ভোট চায় : রিজভী
ছবি - সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এখন ডিসি-এসপিরাও নৌকার পক্ষে ভোট চায়। তারা কাউকে পছন্দ করতে পারেন, ভোট দিতে পারেন। কিন্তু প্রকাশ্যে কোনো দলের পক্ষে ভোট চাইতে পারেন না।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ওলামা দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন ডিসি, তাহলে কীভাবে একজন ডিসি নৌকার পক্ষ ভোট চায়। এতে বোঝা যায় শেখ হাসিনার আগামী নির্বাচন কত একতরফা ও গণবিরোধী হবে। তার নমুনা এখনই ফুটে উঠেছে।
রিজভী বলেন, আমরা কয়েক দিন আগে দেখলাম মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের যিনি প্রধান তিনি তরবারি দিচ্ছেন দেশের যিনি আইনের অভিভাবক প্রধান বিচারপতি তাকে। এই যে তরবারি দিয়েছেন তার কি কোনো লাইসেন্স আছে? আমাদের দেশে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন অনুযায়ী কোনো অস্ত্রদাতা বা গ্রহীতা যদি অস্ত্র দেয়, যিনি দেবেন এবং যে গ্রহণ করবেন তাদের সাজা হবে।
তিনি বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদকে সেই সময়ে ইরাকের রাষ্ট্রপতি সাদ্দাম হোসেন একটি অস্ত্র দিয়েছিল, যেটি তার বাসায় ছিল। এটার কারণে এরশাদের সাজা হয়েছিল। তখন রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন। এই যে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান তিনি যে তরবারি দিচ্ছেন প্রধান বিচারপতিকে এটা কোন আইনে দিলেন? আসলে ওরা দেশের প্রচলিত কোনো আইন কানুন তোয়াক্কা করে না, আমি আগেও বলেছি। তারা মনে করে শেখ হাসিনার কথাই আইন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, যারা শেখ হাসিনার তল্পিবহন করে, যারা শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসন এবং ফ্যাসিজমকে সমর্থন করে তারা যা কিছু করে এটাই হচ্ছে বৈধ। পৃথিবীতে কোনো দৃষ্টান্ত আছে এই ধরনের ঘটনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান যিনি দেশের প্রধান বিচারপতিকে তরবারি দিচ্ছেন। প্রধান বিচারপতি যিনি থাকেন ন্যায় বিচার করার জন্য, নীরবে নিভৃতে কেউ যাতে তাকে পক্ষপাতিত্বের দিকে না নিতে পারেন সেটাই হচ্ছে ন্যায় বিচারের দৃষ্টান্ত। এত বড় অন্যায় করলেন এর সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সর্বনিম্ন সাজা হবে ৭ বছর জেল। এরশাদ তার উদাহরণ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ওলামার দলের আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা শাহ মোহাম্মদ নেসারুল হক, সদস্য সচিব মাওলানা নজরুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা কাজী সেলিম রেজা, যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা কাজী আলমগীর হোসেন, মাওলানা কাজী আবুল হোসেন, মাওলানা মাহমুদুল হাসান শামীম, মাওলানা মফিজুর রহমান প্রমুখ।


Side banner
Link copied!