বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর স্মরণে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান করেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের রুদ্রকর নীলমণি উচ্চ বিদ্যালয়। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রবিবার জাতীয় কবি নজরুলের স্মরণে সকাল থেকে দুইটা পর্যন্ত রুদ্রকর নীলমণি উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিদ্রোহী কবি নজরুলের স্মরণে রুদ্রকর নীলমণি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর প্রতিভাবান ছাত্র-ছাত্রী নজরুল সংগীত, নজরুলের লেখা হাম নাত, নজরুলের গজল, নজরুল সংগীতের সাথে নৃত্য সহ কবিতা আবৃত্তি করেন। ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের জীবনী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিক গুলো আলোচনা করেন। নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কবি নজরুলের স্মরণে প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন রুদ্রকর নীলমণি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্তৃপক্ষ। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন রুদ্রকর নীলমণি উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, সহকারী প্রধান শিক্ষক সাঈদ মাহমুদ , সিনিয়র শিক্ষক সবিতা রানী, সিনিয়র শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান, সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ মোতাহার হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক দুলালী পান্ডে, সহকারী সিনিয়র শিক্ষক দীনেশচন্দ্র দাস,সিনিয়র সহকারী শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহা, চাকরি সিনিয়র শিক্ষক আকলিমা আক্তার, সহকারী সিনিয়র শিক্ষক হামিদা লিজা, সহকারী সিনিয়র শিক্ষক হুমায়ুন হোসেন, অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রুদ্র কর নীলমণি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক।ছাত্র-ছাত্রীদেরকে উদ্দেশ্য করে কবি নজরুল ইসলাম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে বলেন, জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম সম্পর্কে আমাদের প্রত্যেকেরই গবেষণা করা উচিত। দেশের জন্য সশরীরে অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করলে তাদেরকে আমরা মুক্তিযোদ্ধা বলি। আর যারা যুদ্ধের সময় দেশের রাষ্ট্রের মানুষের জন্য কবি লেখকদের লেখনের মাধ্যমে মানুষের বিবেককে জাগ্রত করে তোলে সেটাই হচ্ছে প্রকৃত যুদ্ধ। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের তার অনবদ্য কিছু কবিতা বিরাট অবদান রেখেছিল।
আপনার মতামত লিখুন :