• ঢাকা
  • সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হয়রানি, মামলা, পেশাগত বাধা কিংবা অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় এসব সংগঠনের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন সাংবাদিক সমাজ। তবে কোনো সাংবাদিক সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, কমিটি গঠন কিংবা সদস্যদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সেটি শুধু ব্যক্তিগত বিরোধের বিষয় থাকে না—সংগঠনের সামগ্রিক ভাবমূর্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গেও বিষয়টি জড়িয়ে পড়ে।

জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি নামে একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মো. সুমন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এমনই বেশ কিছু অভিযোগ তুলেছেন নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ও তালাশ বিডির জেলা প্রতিনিধি মো. নাজির খান।

তার অভিযোগ, সংগঠন প্রতিষ্ঠা ও নিবন্ধনের উদ্যোগের সময় মূল কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে কমিটিতে তার নাম রাখা হয়নি। সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অর্থ দেওয়ার পরও সেই অর্থের যথাযথ হিসাব পাওয়া যায়নি এবং তার পাওনা ১৬ হাজার টাকা ফেরত চাইলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়নের সংগঠনের কাজ কী হওয়া উচিত?

একটি সাংবাদিক অধিকারভিত্তিক সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করা। সাংবাদিকদের ওপর হামলা বা হয়রানির প্রতিবাদ, পেশাগত স্বাধীনতা রক্ষা, সাংবাদিকদের আইনগত সহায়তা, প্রশিক্ষণ, কল্যাণমূলক কার্যক্রম, তথ্য ও অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা—এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি সংগঠন তার কার্যকারিতা তুলে ধরতে পারে।

অভিযোগকারী নাজির খানের দাবি, নামের মধ্যে ‘সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন’ থাকলেও সংগঠনটির বাস্তব কার্যক্রম সম্পর্কে সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। তার অভিযোগ, সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নের দৃশ্যমান কর্মসূচির পরিবর্তে কমিটি গঠন, সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের নিয়মিত কার্যক্রম, কর্মসূচি ও সাংগঠনিক সাফল্যের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

সংগঠনের ভাবমূর্তি নিয়ে উদ্বেগ:  একটি সাংবাদিক সংগঠনের ভাবমূর্তি মূলত তার স্বচ্ছতা, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, সদস্যদের প্রতি আচরণ, আর্থিক জবাবদিহিতা এবং সাংবাদিক সমাজের জন্য বাস্তব কাজের ওপর নির্ভর করে।

নাজির খানের অভিযোগ, সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করা কয়েকজন ব্যক্তি পরবর্তীতে সংগঠন থেকে সরে গেছেন। সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল হালাল, কোষাধ্যক্ষ রাজু আহমেদসহ আরও কয়েকজনের নাম তিনি উল্লেখ করেছেন।

অভিযোগকারীর দাবি, একের পর এক অভিজ্ঞ ব্যক্তি সংগঠন থেকে সরে গেলে তার কারণ সম্পর্কে সদস্যদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কেন সংগঠন ছেড়েছেন, সে বিষয়ে তাদের সরাসরি বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

একই সঙ্গে একটি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ বা সদস্যদের পদত্যাগকে অপরাধের প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং সাংগঠনিক নথি যাচাই করা জরুরি।

কমিটি গঠন ও সাংগঠনিক অবকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন: নাজির খানের অভিযোগ অনুযায়ী, সংগঠন গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে সাতজনকে মূল কমিটিতে রাখার কথা বলা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী তিনি ও অন্যরা সংগঠনের কার্যক্রমে অর্থ ও শ্রম দিয়ে সহযোগিতা করেন।

কিন্তু পরবর্তীতে প্রকাশিত কমিটিতে তার নাম না থাকায় তিনি প্রশ্ন তোলেন—কী প্রক্রিয়ায় তার নাম বাদ দেওয়া হলো?

একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে যদি গঠনতন্ত্র, সভার সিদ্ধান্ত, অনুমোদন বা নির্দিষ্ট সাংগঠনিক প্রক্রিয়া থাকে, তাহলে সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না—এটি যাচাইয়ের বিষয়।

অভিযোগকারীর দাবি, তাকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে কোনো সভা বা সিদ্ধান্তের কথা তাকে জানানো হয়নি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে চেয়ারম্যানের আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। এ অভিযোগ সত্য হলে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ প্রশাসন ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে আত্মীয় বা পরিচিত কেউ কমিটিতে থাকলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনিয়ম প্রমাণ করে না; কমিটি গঠনের নিয়ম ও গঠনতন্ত্র কী বলছে, সেটিই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: অভিযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো অর্থ লেনদেন। নাজির খানের দাবি, সংগঠন গঠন ও নিবন্ধনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য তার কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়েছিল। তার দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে তার ১৬ হাজার টাকা ফেরত পাওনা রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—সংগঠনের নামে সদস্য বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হলে সেই অর্থের হিসাব কোথায়? কত টাকা সংগঠনের তহবিলে জমা হয়েছে, কত টাকা নিবন্ধন বাবদ ব্যয় হয়েছে, কত টাকা অফিস পরিচালনায় ব্যয় হয়েছে এবং অন্যান্য খাতে কত টাকা খরচ হয়েছে—এসবের হিসাব সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে কি না?

তিনি আরও দাবি করেন, সংগঠনের জন্য সদস্যদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ দিয়ে একটি পুরোনো দোকান সংস্কার করে অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে অর্থের উৎস, ব্যয়ের রসিদ, ভাউচার, ব্যাংক বা আর্থিক লেনদেনের নথি পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

সংগঠনের অবকাঠামো ও সম্পদের মালিকানা: কোনো সংগঠনের অফিস, আসবাবপত্র, সরঞ্জাম কিংবা অন্যান্য অবকাঠামো গড়ে তোলা হলে সেগুলোর মালিকানা ও অর্থের উৎস স্পষ্ট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

অভিযোগকারী দাবি করেছেন, সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ব্যবহার করে একটি পুরোনো স্থাপনা সংস্কার করা হয়েছে। যদি সত্যিই সংগঠনের তহবিল ব্যবহার করে কোনো স্থাপনা তৈরি বা সংস্কার করা হয়ে থাকে, তাহলে সেই সম্পদ সংগঠনের নামে নাকি ব্যক্তিগত মালিকানায়—এ বিষয়টিও পরিষ্কার হওয়া দরকার।

এ ক্ষেত্রে সংগঠনের হিসাব, রসিদ, ব্যয়ের নথি এবং সম্পত্তি-সংক্রান্ত কাগজপত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

নিজের পেশা নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ: অভিযোগকারী মো. নাজির খান জানান, তিনি একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইলেকট্রিক পেশাজীবী ও কন্ট্রাক্টর। তার দাবি, সংগঠনের চেয়ারম্যান তার পেশা নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন।

নাজির খানের বক্তব্য, একজন মানুষের বৈধ ও সৎ পেশাকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। সাংবাদিকতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক পেশা, তেমনি ইলেকট্রিক্যাল কাজ, কন্ট্রাক্টিং, ব্যবসা বা কারিগরি পেশাও সমাজ ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি বলেন, পেশাগত পরিচয় নিয়ে কাউকে হেয় করা হলে তা শুধু ব্যক্তিগত অপমান নয়, সামাজিক মর্যাদার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রমাণ দাবি: নাজির খান আরও অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উচিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে প্রমাণসহ অভিযোগ করা।

তার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ ছাড়া প্রকাশ বা প্রচার করা হলে তার পেশাগত ও সামাজিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি এ অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।

হুমকির অভিযোগ: অভিযোগকারী দাবি করেন, নিজের পাওনা ১৬ হাজার টাকা ফেরত চাওয়ার পর তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে হুমকির অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে কল রেকর্ড, মেসেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য কিংবা কোনো লিখিত অভিযোগ রয়েছে কি না—তা যাচাই করা প্রয়োজন।

যদি কোনো ব্যক্তি সত্যিই হুমকির শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জানিয়ে আইনগত প্রতিকার নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আইনগত দিক থেকে কী গুরুত্বপূর্ণ?
এখানে একাধিক বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনার দাবি রাখে—অর্থ নেওয়া ও ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ, অর্থের হিসাব না দেওয়ার অভিযোগ, হুমকির অভিযোগ এবং কারও বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ।

তবে কোনো অভিযোগ উঠলেই সেটিকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে প্রচার করা আইনগত ও সাংবাদিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে সমীচীন নয়। অভিযোগের পক্ষে নথি, লেনদেনের প্রমাণ, প্রত্যক্ষদর্শী, অডিও-ভিডিও বা অন্যান্য নির্ভরযোগ্য তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

একইভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়াও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সুনাম রক্ষার সুযোগ দেওয়া—দুই দিকই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সাংবাদিক সংগঠনের নিবন্ধন থাকলেই কি জবাবদিহিতা শেষ?
কোনো সংগঠন নিবন্ধিত হওয়া তার আইনগত ও প্রশাসনিক পরিচয়ের একটি অংশ মাত্র। নিবন্ধনের পাশাপাশি সংগঠনের নিজস্ব গঠনতন্ত্র, কমিটি, সভার কার্যবিবরণী, সদস্য তালিকা, আর্থিক হিসাব এবং কার্যক্রমের স্বচ্ছতা গুরুত্বপূর্ণ।

একটি সাংবাদিক সংগঠন যদি সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করে, তাহলে তার নিজের সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনাতেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দৃষ্টান্ত থাকা প্রত্যাশিত।

কারণ সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা কোনো সংগঠনের বিরুদ্ধে যদি অর্থের হিসাব না দেওয়া, সদস্যকে বাদ দেওয়া বা হুমকির মতো অভিযোগ ওঠে, তাহলে তা সংগঠনের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তদন্তের দাবি:
অভিযোগকারী নাজির খান বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তার দাবি, সংগঠনের নিবন্ধনসংক্রান্ত নথি, মূল কমিটির তালিকা, সভার সিদ্ধান্ত, সদস্যদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের হিসাব, অফিস সংস্কারের ব্যয় এবং সংগঠনের বর্তমান আর্থিক অবস্থার তথ্য যাচাই করা হোক।
একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং হুমকির অভিযোগ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

চেয়ারম্যানের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ:
এসব অভিযোগের বিষয়ে জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মো. সুমন চৌধুরীর বক্তব্য নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি যদি জানান—কেন নাজির খানের নাম মূল কমিটিতে রাখা হয়নি, তার কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছিল, সেই টাকা কোন খাতে ব্যয় হয়েছে, ১৬ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টি কী, অফিস সংস্কারের অর্থের উৎস কী এবং তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগের ভিত্তি কী—তাহলে পাঠকদের সামনে বিষয়টির পূর্ণ চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।
প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

একটি সাংবাদিক সংগঠনের শক্তি শুধু তার নাম, পদবি বা কমিটির আকারে নয়; সংগঠনের প্রকৃত শক্তি হলো সাংবাদিকদের জন্য তার বাস্তব কাজ, সাংগঠনিক স্বচ্ছতা, আর্থিক জবাবদিহিতা এবং সদস্যদের আস্থা।


Side banner
Link copied!